মেঘলা দুপুর। রুদ্র একা বসে ছিল পুরনো লাইব্রেরির জানালার ধারে। ঠিক তখনই তার চোখে পড়ে একটি অদ্ভুত বই— মলাটে কোনো নাম নেই, শুধু লেখা: “যে খুলবে, সে বদলে যাবে সময়ের পথ।”
বইটি খুলতেই ঘরটি অদ্ভুতভাবে কাঁপতে থাকে। পাতার মাঝখান থেকে বেরিয়ে আসে হালকা নীল আলোর ঘূর্ণি। অমনি রুদ্র নিজেকে দেখতে পায়— এক অচেনা শহরে, অচেনা সময়ের ভেতর।
শহরটি ভয়ংকর নীরব। চারদিকে শুধু ধোঁয়া আর শূন্য রাস্তা। একটি ছায়ামূর্তি ধীরে ধীরে রুদ্রর দিকে এগিয়ে আসে… মনে হচ্ছিল তাকে চেনে, কিন্তু রুদ্র তাকে চেনে না।
মূর্তিটি বলল— “তুমি দেরি করে ফেলেছো। সময়ের জানালা আর বেশিক্ষণ খোলা থাকবে না।” রুদ্র হতবাক। সে কি সত্যিই ভবিষ্যতে এসে পড়েছে? নাকি এটা কোনো ফাঁদ?
রুদ্র কিছু বলার আগেই আকাশে প্রচণ্ড শব্দ শোনা যায়। মাটির নিচে তাকিয়ে দেখে— ঘড়ির কাঁটা পুরো শহর জুড়ে বিশাল আকারে ঘুরছে! রুদ্র দৌড়াতে শুরু করে… কিন্তু সেই ছায়ামূর্তি তার পিছু ছাড়ছে না। পর্ব ১ শেষ।
আজকের প্রশ্ন ❓
রুদ্র কোথায় গিয়েছিল?